তবে পরে গাড়িটি সার্ভিস সেন্টারে পরীক্ষা করার পর সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। প্রযুক্তিগত পরীক্ষার পর জানা যায়, গাড়ির ইঞ্জিনে একটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল, যার সঙ্গে E20 পেট্রোলের কোনও সম্পর্ক নেই।
এই ঘটনার পর সৌরভ যোশী সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি বার্তা প্রকাশ করে তাঁর আগের মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন এবং ক্ষমা চান। তিনি স্বীকার করেন যে, সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত পরীক্ষা ছাড়াই E20 পেট্রোলকে দোষারোপ করা তাঁর ভুল ছিল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে E20 জ্বালানি নিয়ে চলা বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিলে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগে নির্দিষ্ট কোনও জ্বালানি বা উপাদানকে দায়ী করা কতটা যুক্তিসঙ্গত। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির কর্মক্ষমতা সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে সঠিক কারণ নির্ধারণের জন্য প্রযুক্তিগত পরীক্ষাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


0 মন্তব্যসমূহ